‘রাকিবুল হাসান স্যারকে রাণীনগরেই চাই’—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জোরালো দাবি, বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার আহ্বান

রাণীনগরের খবর সর্বশেষ সারাদেশ

মোঃ সাহাজুল ইসলাম, রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাকিবুল হাসান-এর বদলির খবর প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া। ফেসবুকজুড়ে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ, “রাকিবুল হাসান স্যারকে রাণীনগরেই চাই” স্লোগানে বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে অসংখ্য পোস্ট, স্ট্যাটাস ও মন্তব্য করছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্যে স্থানীয়দের অনেকেই দাবি করেছেন, মো. রাকিবুল হাসান একজন সৎ, কর্মনিষ্ঠ, বিনয়ী ও জনবান্ধব প্রশাসনিক কর্মকর্তা। তাঁদের ভাষ্য, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি উপজেলার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, জনসেবার মানোন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা দ্রুত সমাধানে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি রাণীনগরের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।

ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্টে অনেকেই লিখেছেন, দল-মত নির্বিশেষে রাণীনগরের মানুষ তাঁর কর্মকাণ্ডকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেন। তাঁদের মতে, চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাঁকে রাণীনগরেই রাখা প্রয়োজন। এ কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ব্যক্তি শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের অবস্থান প্রকাশের কথাও জানিয়েছেন। তবে এসব বক্তব্য ও দাবি সম্পূর্ণভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মো. রাকিবুল হাসান রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচি বাস্তবায়ন, জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগ গ্রহণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাঁর বদলির আদেশ বহাল থাকবে নাকি পুনর্বিবেচনা করা হবে, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয়দের চলমান প্রতিক্রিয়া এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের দিকেই এখন রাণীনগরবাসীর নজর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *